বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহাসিক ছোট রাজবাড়ি বা জমিদারবাড়ি ভাঙার কাজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন এই পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভাঙার কাজ চলছিল, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। পরে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উপজেলা প্রশাসন ১৪ জানুয়ারি রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বাড়ির মালিকপক্ষকে আপাতত ভাঙার কাজ বন্ধ রাখতে অনুরোধ জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটি প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে আবেদন জমা রয়েছে। তবে বর্তমান মালিকপক্ষ জানায়, তারা এ বিষয়ে অবগত ছিলেন না এবং বৈধ কাগজপত্রসহ জমিটি ক্রয় করেছেন। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তারা এটি বিক্রি করে দিয়েছেন। ইউএনও মো. আলী হাসান জানান, স্থাপনাটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং এর ক্ষতি করতে পারে এমন সব কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত ঐতিহাসিক এই স্থানে কোনো নির্মাণ বা ভাঙার কাজ না করার নির্দেশ জারি রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।