Web Analytics

সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও বেসামরিক স্থাপনায় হুথিদের ধারাবাহিক হামলার পর তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সদ্য গঠিত প্রতিরক্ষা জোট কেন যৌথ সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছে ইয়েমেন উপকূলের কিছু অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার খবরের পর সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলা বিতর্ক বাড়িয়েছে। এই পাইপলাইনে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ পরিবহন করা হয়।

মিডল ইস্ট আইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ তুর্কি কর্মকর্তা বলেন, চুক্তির প্রতিরক্ষা বাধ্যবাধকতা এখনো আইনগতভাবে কার্যকর হয়নি। তুরস্ক ও পাকিস্তানের পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন, আর সৌদি আরব রাজকীয় ডিক্রির মাধ্যমে চুক্তিটি অনুমোদন করতে পারে। তুরস্ক শিগগির চুক্তিটি পার্লামেন্টে উপস্থাপন করতে পারে এবং অক্টোবরে পাঠ প্রকাশ ও অনুমোদনপ্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনে তিন দেশ কাজ শুরু করেছে; সৌদি আরবে সচিবালয় স্থাপন এবং তিন বছরের জন্য একজন পাকিস্তানি মহাসচিব নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনো সদস্য আক্রান্ত হলে আগে আনুষ্ঠানিক সহায়তার অনুরোধ, এরপর সদস্যদের আলোচনার মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। তুরস্ক ও পাকিস্তান হামলার নিন্দা জানিয়েছে, আর পাকিস্তান বলেছে সৌদি আরব সামরিক হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেনি।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।