নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সাত মাস পরও বাংলাদেশের জনপ্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত গতি আসেনি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এ নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের বক্তব্য অনুযায়ী, শীর্ষ কর্মকর্তারা মূলত রুটিন কাজ চালালেও মধ্যম ও নিম্নপর্যায়ে স্থবিরতা বিরাজ করছে, যা সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে।
কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকেরা সমন্বয়হীনতা, কেন্দ্রীয় দিকনির্দেশনার অভাব এবং প্রশাসনের বিভিন্ন বলয়ের দ্বন্দ্বকে পরিস্থিতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী অনেক কর্মকর্তা এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, আর আগে পদোন্নতি ও পদায়ন থেকে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অনেকে এখনো বঞ্চিত। ১২টি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে রাজনৈতিক নিয়োগ নিয়েও কিছু কর্মকর্তার ক্ষোভ ও হতাশার কথা প্রতিবেদনে এসেছে।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, ঘুস, দুর্নীতি ও ফাইল আটকে অর্থ আদায়ের চিত্র বদলায়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শৃঙ্খলা না মানা পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী জানিয়েছেন, আগের সরকারকে টিকিয়ে রাখতে প্রকাশ্যে কাজ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।