Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর আসন্ন পারমাণবিক আলোচনার প্রাক্কালে নিজেদের শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে তুলে ধরছে ইরান। যুদ্ধের সময় উল্লেখযোগ্য সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়লেও দেশটির নেতারা এই সমঝোতাকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে প্রচার করছেন। ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় নেতারা যুদ্ধবিরতিকে দেশের দৃঢ়তা ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ একে বিজয়ের পথে বড় পদক্ষেপ বলেছেন, আর সাদেঘ আমোলি লারিজানি দাবি করেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের পর ইরানের ক্ষমতার কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে। এতে ভবিষ্যৎ আলোচনায় ইরানের অবস্থান আরও কঠোর হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যও ইরানের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, যেখানে তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সমালোচনা করে ইরানি নেতৃত্বকে তুলনামূলক বাস্তববাদী বলেছেন।

আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে নতুন দফার পারমাণবিক আলোচনা শুরু হবে। আলোচনায় ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের শর্ত নিয়ে বিতর্ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্থায়িত্বের বড় পরীক্ষা হতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।