Web Analytics

পদ্মার বাড়তি বর্ষার পানিতে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিম্নাঞ্চল ও চর প্লাবিত হয়েছে; পরিবার, গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালপত্র নিয়ে নৌকায় নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে যাচ্ছেন বাসিন্দারা। শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজশাহীর বড়কুঠি পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৭.২০ মিটার, যা ১৮.০৫ মিটার বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে। তবু চরখিদিরপুর, খানপুরসহ বিভিন্ন চরের নিচু এলাকায় পানি ঢুকেছে এবং শিবগঞ্জের পাঁকা ইউনিয়নে কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

বাসিন্দারা ঘর ডোবা, খাদ্যসংকট, রান্নার জায়গার অভাব এবং গবাদিপশু রাখার নিরাপদ স্থান না পাওয়ার কথা বলেছেন। নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকীর মতে, বর্ষার প্লাবন ও শুষ্ক মৌসুমে নদী শুকিয়ে যাওয়ার বৈপরীত্য স্বাভাবিক প্রবাহের লক্ষণ নয়; উজানের পানি প্রত্যাহার, পলি জমা ও প্রবাহব্যবস্থার বাধা কৃষি, মৎস্য, নৌপথ ও জীবিকায় প্রভাব ফেলছে।

১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর শেষ হচ্ছে; চুক্তি অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ফারাক্কায় পানি ভাগ হয়। বিশেষজ্ঞরা ফারাক্কার পাশাপাশি উজানের বৃষ্টি, জলবায়ু পরিবর্তন, পলি, বৃষ্টির ধরন, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও দুর্বল ব্যবস্থাপনাকেও কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রাজশাহীর প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ নিয়েও নতুন আলোচনা চলছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।