চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পাহাড়, সমুদ্র, ঝরনা ও ঐতিহ্যের সমন্বয়ে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় প্রকৃতিনির্ভর পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। চন্দ্রনাথ পাহাড়, গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত, খৈয়াছড়া ও নাপিত্তাছড়া ঝরনাসহ নানা প্রাকৃতিক আকর্ষণে বছরজুড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, গড়ে উঠছে নতুন ব্যবসা ও কর্মসংস্থান।
পর্যটন সুবিধা বাড়াতে কিউআর কোডযুক্ত তথ্যবোর্ড স্থাপন, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বন বিভাগের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তবে মানসম্মত আবাসন, আধুনিক তথ্যকেন্দ্র, নিরাপদ ট্রেইল ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঘাটতি রয়ে গেছে। সীতাকুণ্ড রেলস্টেশনে অধিকাংশ আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় পর্যটকদের সড়কপথে নির্ভর করতে হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মতে, সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে সীতাকুণ্ড দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতিনির্ভর পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।