চট্টগ্রাম ও রাউজানে ধারাবাহিক টার্গেট কিলিং নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, কারণ হামলাকারীরা কীভাবে এত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ভুক্তভোগীদের অবস্থান জানতে পারছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ১৩ জুন রাউজানের চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক মাসুদের হত্যাকাণ্ডের পর বিষয়টি আবার সামনে আসে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পুরো ঘটনাটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়। নিহতের স্বজনরা সন্দেহ করছেন, প্রশাসনের কেউ মোবাইল ট্র্যাকিং করে তথ্য দিচ্ছে কিনা। তবে পুলিশ জানিয়েছে, আসামিরা স্বীকার করেছে স্থানীয় সূত্র থেকেই তারা তথ্য পেত, প্রশাসনের কেউ নয়।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন, গডফাদারদের নির্মূল না করলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধ হবে না। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চট্টগ্রাম ও রাউজানে অন্তত ৩৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার বেশিরভাগই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হামলাকারীরা ভুক্তভোগীদের অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রশাসনের কেউ তথ্য ফাঁস করেছে এমন প্রমাণ মেলেনি। তবে কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।