প্রবন্ধে বলা হয়েছে, সীমিত প্রচলিত চাকরির সুযোগের বাস্তবতায় বাংলাদেশের বড় তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য উদ্যোক্তা তৈরিতে সমন্বিত রাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রয়োজন। উদ্যোক্তা নিজের কর্মসংস্থান গড়ার পাশাপাশি উদ্যোগ বিস্তৃত হলে অন্যদের কাজ ও জীবিকার সুযোগ তৈরি করেন, স্থানীয় বাজার সক্রিয় করেন এবং অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ান।
লেখাটির মতে, উদ্যোক্তা হতে শুধু সাহস যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন পুঁজি, বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি, বাজারসংযোগ, যোগাযোগ, হিসাবরক্ষণ, বিপণন, আইনগত জ্ঞান ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। জামানতের সামর্থ্য না থাকায় অনেকে প্রচলিত ঋণ পেতে পারেন না। তাই বাস্তবসম্মত মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্বল্পসুদের ও প্রকল্পভিত্তিক অর্থায়ন, পরামর্শনির্ভর ঋণ এবং অর্থের সঠিক ব্যবহারে নিয়মিত দিকনির্দেশনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রবন্ধে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নবীনদের সংযোগ, পরবর্তী তদারকি এবং সরকারি ক্রয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। পাহাড়, চর, হাওর ও সীমান্তবর্তী এলাকার বাস্তবতার ভিত্তিতে অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনার পাশাপাশি নারী, প্রতিবন্ধী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও প্রত্যন্ত এলাকার তরুণদের অন্তর্ভুক্তির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।