মালয়েশিয়ার তামান লিঙ্গি এলাকায় ৩ আগস্ট বাগ্বিতণ্ডার জেরে নরসিংদীর কিরন মিয়া ও মোহশিন মিয়াসহ তিন বাংলাদেশি নিহত হন। তারা নজরুল ইসলাম ও অভিযুক্ত ইদ্রিছ আলীর সঙ্গে পোর্ট ডিকসনের একটি বাড়িতে থাকতেন এবং একই মালিকের বাগানে কাজ করতেন। মালয়েশিয়ার পুলিশ অভিযুক্ত ইদ্রিছ আলীকে আটক করেছে। একই ঘটনায় বাংলাদেশি কাজল মণ্ডল গুরুতর আহত হয়ে রেমবাউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রায় দেড় মাস পর নিহতদের লাশ দেশে আনা হয়। ১২ সেপ্টেম্বর মোহশিনের লাশ নিজ গ্রামে এনে দাফন করা হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর শিবপুরের বাড়িতে কিরনকে দাফন করা হয়। নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহায়তা দাবি করেছেন।
মালয়েশিয়ার পুলিশ প্রাথমিক তদন্তের পর ইদ্রিছ আলীর বিরুদ্ধে দেশটির দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যা মামলা করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চেয়ে তাকে পোর্ট ডিকসন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়েছে। তিনজনকে হত্যার পাশাপাশি কাজল মণ্ডলকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগও যুক্ত হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে মৃত্যুদণ্ড অথবা ৩০ থেকে ৪০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১২ বেত্রাঘাতের সাজা হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।