শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে, যা মোট বাজেটের ২ শতাংশ। তিনি স্বীকার করেন, শিক্ষার ফলাফল এখনও সন্তোষজনক নয়, তবে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোববার রাজধানীর বনানীতে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষাকে এক ধারায় আনতে কাজ চলছে। প্রাথমিক শিক্ষার খরচ কমাতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং দেশের সব স্কুলে প্রি-প্রাইমারি ক্লাস চালু করা হবে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে মিড-ডে মিল, ইউনিফর্ম, ব্যাগ ও জুতা সরবরাহের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জানান, শিক্ষক বদলি এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে হবে এবং দুই বছর পর প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষক ক্লাস নিতে পারবেন না।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৭ সালের কারিকুলামে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে এবং নির্দিষ্ট স্কুল ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা হবে। সরকার কারিকুলাম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো ও প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।