Web Analytics

দীর্ঘস্থায়ী শেয়ারবাজার মন্দায় বাংলাদেশের ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাজার-সংশ্লিষ্টরা। অনেক প্রতিষ্ঠান শাখা অফিস বন্ধ, অফিসের জায়গা কমানো এবং কর্মী ছাঁটাই করেছে; কেউ কেউ কার্যক্রমও সীমিত করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জও পরিচালন ব্যয় মেটাতে পারছে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাজার পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাজার-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত ব্যয় মেটাতে প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার লেনদেন প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে তা ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকায় নেমেছে। নিকুঞ্জের ডিএসই টাওয়ারে আগে প্রায় ১২০ প্রতিষ্ঠানের অফিস থাকলেও এখন রয়েছে ৬৫টি। ডিবিএ বলেছে, প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখতে দৈনিক লেনদেন তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা এবং বছরে ১০ থেকে ১২টি ভালো মানের আইপিও আনা দরকার।

বিশ্লেষক ও খাতসংশ্লিষ্টরা বিনিয়োগকারীর আস্থা ফেরাতে মৌলভিত্তিসম্পন্ন, রাষ্ট্রায়ত্ত ও বহুজাতিক কোম্পানি তালিকাভুক্তির ওপর জোর দিয়েছেন। প্রতিবেদনে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার অনাদায়ী মার্জিন লোনকে বড় বোঝা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঋণ আদায় না হওয়ায় কিছু প্রতিষ্ঠানের ইকুইটি ঋণাত্মক হয়েছে এবং প্রভিশনিং করতেও তারা ব্যর্থ হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।