মাল্টিল্যাটারাল স্যাংশনস মনিটরিং টিম বা এমএসএমটি জানিয়েছে, বিদেশে শ্রমিক পাঠিয়ে উত্তর কোরিয়া ২০২৫ সালে আনুমানিক ৪৫ কোটি থেকে ৮০ কোটি মার্কিন ডলার আয় করেছে। প্রতিবেদনের দাবি, এই অর্থের বড় অংশ দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্তত ১৭টি দেশে উত্তর কোরিয়ার শ্রমিক রয়েছেন এবং চীন ও রাশিয়ায় তাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএসএমটির হিসাবে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২০১৯ সালের মধ্যে প্রত্যাবাসনের সময়সীমা থাকা সত্ত্বেও বিদেশে ৩৫ হাজার ৬০০ থেকে ১ লাখ ১ হাজার ২৮০ জন উত্তর কোরীয় শ্রমিক কাজ করছেন। চীনে তাদের সংখ্যা ২০ হাজার থেকে ৭০ হাজার হতে পারে; তারা কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও মাছ ধরার বহরসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে চীন অবৈধভাবে উত্তর কোরীয় শ্রমিক রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
২০২৫ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ায় ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার শ্রমিক ছিলেন বলে এমএসএমটি জানিয়েছে। প্রতিবেদনে রুশ কারখানায় সামরিক ড্রোন তৈরিতে কিছু শ্রমিকের যুক্ত থাকার অভিযোগও রয়েছে। শ্রমিকদের মজুরির ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সরকার কেটে নেয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এমএসএমটি সদস্যরা শ্রমিক নিয়োগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আহ্বান জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।