Web Analytics

সম্পাদক পরিষদের নেতারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং সেখানে ‘মিথ্যা মামলায়’ অভিযুক্ত ২৮২ সাংবাদিকের একটি তালিকা জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের সময় পরিষদ কোনো তালিকা দেয়নি। ওই সময়ে বহু সাংবাদিক মামলা, কারাবাস, গুম ও হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তালিকাভুক্ত অনেকেই আসলে রাজনৈতিক নেতা, যারা সাংবাদিক সেজে আছেন এবং সহিংসতায় জড়িত ছিলেন। সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সম্পাদক পরিষদকে ভণ্ডামির অভিযোগে সমালোচনা করেছেন, কারণ তারা আগের দমন-পীড়নের সময় নীরব ছিলেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে গঠিত সম্পাদক পরিষদ বাস্তবে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নয়, বরং সরকারকে রক্ষা করেছে। লেখকের দাবি, পরিষদের সদস্যরা অতীতে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা চালিয়ে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।