পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন খাল খনন না হওয়ায় সেচ ব্যবস্থার ঘাটতি ও জলাবদ্ধতার কারণে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি বলেন, সরকার জনকল্যাণে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে এবং তিন দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে নির্দেশ দেন, যাতে খাল খনন কর্মসূচি দৃশ্যমান ও কার্যকর হয়।
মন্ত্রী টেকসই খাল খনন, জীবিকা নির্ভর উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিমন্ত্রী আজাদ জানান, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবে এবং চলতি ও পরবর্তী অর্থবছরের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।
সভায় কৃষি, খাদ্য, মৎস্য, স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন, যারা যৌথভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।