সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছেন, লেবাননে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা তার দেশের নেই। ২৭ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতিবেশী লেবাননের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেন।
আল-শারা বলেন, সিরিয়া লেবাননে শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতিকে সমর্থন করে। তাঁর মতে, দুই দেশের সম্পর্ক সামরিক বলপ্রয়োগের বদলে আইনের শাসনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা উচিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে বৈরুতের সঙ্গে যোগাযোগে দামেস্ক ধারাবাহিকভাবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করছে।
দুই প্রতিবেশী দেশের অভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর মধ্যে শরণার্থী সংকট, মাদকের অবৈধ চালান এবং অস্ত্র পাচার রয়েছে। সিরীয় সরকার জানায়, এসব অপরাধমূলক তৎপরতা বন্ধে তারা সক্রিয় এবং ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো থেকে লেবাননের হেজবুল্লাহর কাছে পাঠানো অস্ত্রের একাধিক চালান জব্দ করেছে। আল-শারা সতর্ক করেন, লেবাননের রাজনৈতিক বা নিরাপত্তা অস্থিরতার নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি সিরিয়াতেও পড়বে, যা দামেস্ক দেখতে চায় না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।