Web Analytics

চট্টগ্রামের ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে আটটি রবি ও সোমবার পুরোপুরি বন্ধ ছিল এবং বাকি ২১টির অধিকাংশই সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম উৎপাদন করেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট এ অবস্থার প্রধান কারণ। উৎপাদন ঘাটতিতে প্রতিদিন ২৩৮ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হচ্ছে; কোথাও দিনে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

এ সংকটে দেশের প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক অঞ্চল চট্টগ্রামের কারখানা, পরিবার ও শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজিএমইএ পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, আট কর্মঘণ্টার প্রায় অর্ধেক সময় বিদ্যুৎ থাকে না। জেনারেটর দিয়ে কাজ চালাতে হলেও তার সক্ষমতা সব সময় যন্ত্রের জন্য যথেষ্ট নয়; এতে যন্ত্রাংশ নষ্ট, উৎপাদন কমে যাওয়া এবং ক্রেতার চাহিদামতো পণ্য সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের কেন্দ্রগুলোর মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৪,৬০০ মেগাওয়াটের বেশি হলেও বর্তমানে সর্বোচ্চ উৎপাদন ২,৭৫৩ মেগাওয়াট। রোববার পিক আওয়ারে ১,২০৯.৯২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৯৭২.১০ মেগাওয়াট। পিডিবি কর্মকর্তারা বলেন, জাতীয় গ্রিডের বরাদ্দ দেশের সামগ্রিক চাহিদার ওপর নির্ভর করে এবং জ্বালানি সংকট, কারিগরি ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ জটিলতায় কেন্দ্র বন্ধ থাকতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।