Web Analytics

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাফল্য হিসেবে প্রচার করা হলেও, আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযান ছিল। এই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারাও নিহত হন। আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের (IISS) বিশেষজ্ঞরা জানান, অভিযানে সিআইএ-এর নজরদারি, মার্কিন ড্রোন, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ও বি-৫২ বোমার ব্যবহারের ওপর নির্ভর করা হয়েছিল। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে হিজবুল্লাহ ও হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলাগুলিতেও একই ধরনের মার্কিন সহায়তা দেখা গেছে।

ইস্তানবুলভিত্তিক বিশ্লেষক মামুন আবু আমের বলেন, এসব অভিযান ইসরায়েলের স্বনির্ভরতার নয়, বরং ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতার প্রমাণ। তার মতে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে ব্যবহার করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি ইরানের সঙ্গে সংঘাতে টেনে এনে। আবু আমের আরও বলেন, মোসাদ প্রায়ই প্রযুক্তিগত দক্ষতার চেয়ে স্থানীয় সহযোগী ও সামাজিক বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যৌথ হামলাগুলো তেহরানে পরিবেশগত ও মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এসব হত্যাকাণ্ড কৌশলগতভাবে সফল হলেও দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা আনতে ব্যর্থ হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।