প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিক অধিকার ও আইনের শাসন নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিইর মাধ্যমে প্রশাসন ব্যাপক গ্রেপ্তার ও বহিষ্কার অভিযান চালাচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, অভিযানটি মূলত বিপজ্জনক অপরাধীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে আইসিইর গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের অর্ধেকের বেশি কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড ছাড়াই আটক হন।
প্রশাসন বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য দেওয়া টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে, ফলে দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অনেক মানুষ বহিষ্কারের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তাদের অনেকে বহু বছর ধরে দেশটিতে কাজ করছেন এবং স্থানীয় সমাজের সঙ্গে যুক্ত। অনিবন্ধিত অভিবাসীদের বাইরে বৈধভাবে থাকা বিদেশি নাগরিকদের রাজনৈতিক বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের ওপর চাপ তৈরিতেও অভিবাসন আইনের ক্ষমতা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে; উদাহরণ হিসেবে ফিলিস্তিনি-আমেরিকান কর্মী মাহমুদ খলিলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
কিছু আইসিই নির্দেশ ও প্রশাসনিক পদক্ষেপকে বেআইনি হিসেবে চ্যালেঞ্জের সুযোগ আদালত তৈরি করলেও হাজার হাজার মানুষ আটক রয়েছেন। স্বাভাবিকীকরণপ্রাপ্ত ও দ্বৈত নাগরিকদের অধিকার সীমিত করার আলোচনা উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।