যুক্তরাষ্ট্রের ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন সামরিক হামলার সম্ভাব্য পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। মার্কিন কর্মকর্তা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশ স্বল্পমেয়াদি কিন্তু তীব্র অভিযানের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। তবে হামলা চালানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।
সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতিতে দুই দেশ সামরিক মহড়া জোরদার করেছে এবং ইরানের পশ্চিমের প্রতিবেশী ইরাকের আকাশসীমা দিয়ে বিমান পরিচালনার কৌশল অনুশীলন করছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুত রয়েছে। কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা মনে করছেন, বড় ধরনের হামলা ইরানের অর্থনৈতিক সংকট গভীর করে তেহরানকে কূটনৈতিক আলোচনায় ছাড় দিতে চাপ দিতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনায় শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। অক্টোবরেই হামলার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করা হয়নি, যদিও সেটি কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্প আগে বলেছিলেন, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাবে না এবং আলোচনা চলছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এ সপ্তাহে ইসরাইলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তবে সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।