পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ মোদিবিরোধী বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নিয়েছে বলে উৎসে বলা হয়েছে। তরুণ আন্দোলনকারী, শিক্ষার্থী ও বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছে; তারা শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও চাকরির দাবি জানিয়েছে। উৎস অনুযায়ী, আন্দোলন দমনে দিল্লিতে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ, ট্রেন চলাচল বাতিল ও সড়ক অবরোধ করা হয়; পুলিশ হাজার হাজার মানুষকে মারধর ও আটক করে।
উৎসটি বলছে, বয়স্ক ভোটারদের মধ্যে মোদির প্রভাব থাকলেও এই অস্থিরতা তাঁর জন্য বড় ধাক্কা। উচ্চশিক্ষা বাড়লেও ভালো চাকরির অভাব তরুণদের হতাশ করেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের চাকরিসংক্রান্ত ক্ষোভ বিজেপিকে ধাক্কা দেয় এবং দলটি এককভাবে সরকার গঠন করতে না পেরে জোট করতে বাধ্য হয়। ভারতের ৩০ বছরের কম বয়সি ভোটার প্রায় ৩০ শতাংশ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
লেখাটিতে ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মোদির উত্থান থেকে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রার মূল্যায়ন করা হয়েছে। ডিজিটাল পরিচয়পত্র, অনলাইন লেনদেন, জিএসটি, মহাসড়ক সম্প্রসারণ, গ্রামীণ বিদ্যুৎ ও সরকারি সহায়তার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আয়বৈষম্য, কর্মসংস্থানের ঘাটতি এবং আদালত, সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর চাপের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।