প্রবন্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে হত্যাকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের ভেতর থেকে মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া। লেখক দাবি করেছেন, অতীত ও বর্তমান উভয় বাংলাদেশি সরকারই এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে, যেখানে নেপাল একই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির এক মন্তব্যে বাংলাদেশের এক সাংস্কৃতিক নেতার হত্যাকাণ্ডে ভারতের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও, ঢাকার কর্মকর্তারা সেটিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বলে উড়িয়ে দেন।
লেখক যুক্তি দিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে চায় এবং চায় ঢাকা দিল্লির কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলুক, যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা তুরস্কের সঙ্গে স্বাধীন সম্পর্ক গড়ে না তুলুক। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভারতের বর্তমান হিন্দুত্ববাদী নীতি মুসলমানদের প্রান্তিক করে এবং বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে।
লেখক উপসংহারে বলেছেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো চাপে রয়েছে এবং সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ প্রতিহত করে নাগরিক আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।