প্রফেসর ড. মো. ফখরুল ইসলাম কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে জানান, সুগন্ধা পয়েন্টে প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতা তৈরির জন্য একটি বিশাল প্লাস্টিক দানবের ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার এখন একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ভয়াবহ হুমকির মুখে। পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের ব্যবহৃত বোতল, প্যাকেট, পলিথিন ও অন্যান্য প্লাস্টিক বর্জ্য সৈকতের বালু ও সমুদ্রে মিশে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এসব প্লাস্টিক ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে সামুদ্রিক প্রাণী ও মানুষের খাদ্যচক্রে প্রবেশ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে পলিথিন নিষিদ্ধ হলেও কক্সবাজারে আইনের প্রয়োগ দুর্বল। হোটেল, রেস্তোরাঁ ও দোকানগুলোতে প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার চলছে। তিনি কঠোর নজরদারি, জরিমানা ও বিকল্প পরিবেশবান্ধব উপকরণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার কার্যক্রম গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
প্রফেসর ইসলাম সৈকতে বেওয়ারিশ কুকুর ও প্রাণীর বিষ্ঠা থেকে দুর্গন্ধ ও সংক্রমণের ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন এবং কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন। তিনি মনে করেন, কক্সবাজার রক্ষা এখন জাতীয় দায়িত্ব, যা সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া সম্ভব নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।