জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির দিনে ও তার আশপাশে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা কলেজ এবং সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন এবং আবাসিক হল দখল ও কক্ষ ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ঘিরে সংঘর্ষে জকসুর ভিপি-জিএস, সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন; অন্তত ৭০ জন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। আহতদের ওপর হামলার অভিযোগে ছাত্রদল-যুবদল নেতাকর্মীদের জরুরি বিভাগে প্রবেশের কথাও বলা হয়েছে। উপাচার্য চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন, আর প্রক্টর ঘটনাকে জকসু ও শিবিরের পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড বলে দাবি করেছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত সাতজন আহত হন। আলিয়া মাদরাসায় ককটেল বিস্ফোরণ, হলের কক্ষ ভাঙচুর ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে; উভয় পক্ষই আহতের ভিন্ন সংখ্যা দাবি করেছে। ঢাকা কলেজে উত্তেজনার মধ্যে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর আসে, যদিও অধ্যক্ষ বড় সংঘর্ষের কথা অস্বীকার করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।