Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক কম কার্যকর শুল্কহারের সুবিধা পেয়েও পোশাকের বাড়তি ক্রয়াদেশ টানতে পারছে না বাংলাদেশ; চীন থেকে ক্রেতাদের সরে যাওয়ার সুযোগে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো এগিয়ে যাচ্ছে। ১৯ আগস্ট ২০২৬ চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ জুলাই কার্যকর নতুন মার্কিন শুল্ক কাঠামোয় বাংলাদেশের কার্যকর মোট শুল্কহার প্রায় ২৫.৬ শতাংশ, যেখানে ভিয়েতনামের ২৮.১ এবং চীনের ৩৫.৬ শতাংশ। তবু ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮.১ শতাংশ কমে সোয়া তিন বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পণ্যে বৈচিত্র্যের অভাব, ম্যান মেইড ফাইবারভিত্তিক পোশাক উৎপাদনে সীমিত সক্ষমতা এবং বন্দর ও কাস্টমের জটিলতায় দীর্ঘ লিড টাইম এ অবস্থার প্রধান কারণ। ট্রাউজার, টিশার্ট, বোনা ফরমাল শার্ট, অন্তর্বাস ও সোয়েটার—এই পাঁচ পণ্য থেকে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ৭৮ শতাংশ আসে এবং প্রায় ৯৫ শতাংশ কারখানা এগুলো উৎপাদন করে। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি করা পোশাকের ৫৭ শতাংশ ছিল এমএমএফভিত্তিক।

একই সময়ে ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্রে ৬.৩৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা ১.৫ শতাংশ বেশি। ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ৫.৪৯ ও ১৪.৯ শতাংশ। ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নেও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৯.৩৩ শতাংশ কমেছে। ব্যবসায়ী নেতারা এমএমএফ খাতে বিনিয়োগ, কম সুদের ঋণ, এফডিআই, বাণিজ্য চুক্তি এবং লিড টাইম কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।