হেফাজতে ইসলামের নেতা মুফতি শফিকুল ইসলাম সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জবানবন্দি দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে তার গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাকে চোখ বেঁধে আটক করে জঙ্গি হিসেবে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয় এবং অস্বীকার করলে হত্যা করে সমুদ্রে ফেলে দেওয়া বা পাগল বানিয়ে ঢাকায় ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
জবানবন্দিতে শফিকুল তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব এবং হেফাজতের ঢাকা মহানগর পল্টন জোনের সহ-সচিব পদে থাকার কথা জানান। তিনি বলেন, ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থেকে পূর্বাচল যাওয়ার পথে তাকে তুলে নিয়ে ছোট অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং পরে জিজ্ঞাসাবাদের নামে মারধর করা হয়। জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেওয়া হয়।
এই জবানবন্দি শেখ হাসিনা ও ১২ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার চতুর্থ সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।