ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে উচ্চ আদালতের নদী সুরক্ষা সংক্রান্ত রায় উপেক্ষা করে তিতাস ও বুড়ি নদীর পূর্ব পাড়ে দখল ও বালু ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলামের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধভাবে বালু ভরাটের দায়ে ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে। তাঁকে ১৫ দিনের মধ্যে নিজ খরচে বালু অপসারণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সার্ভেয়ার জয়নাল আবেদীন সুমনের পরিমাপ অনুযায়ী, নবীনগর লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদীর প্রস্থ সিএস ম্যাপে ছিল ৬২০ ফুট, কিন্তু বিএস ম্যাপে তা ২২০ ফুট দেখানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিএস ম্যাপের ৪০০ ফুট নদীর জায়গা স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিজেদের নামে রেকর্ড করে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করেছেন বা ভরাটের চেষ্টা করছেন। ২০১৯ সালের হাইকোর্টের রায়ে দেশের নদীগুলোকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা এবং সীমানা সুরক্ষায় সিএস ম্যাপকে মূল ভিত্তি ধরা হয়।
নবীনগর সদর ভূমি অফিস জানিয়েছে, ১০৯৮ খতিয়ানভুক্ত ২৫৯০ এসএ দাগের জায়গাটি সরকারি সম্পত্তি। বিএস খতিয়ানে মন মিয়ার নামে রেকর্ড থাকলেও ফরিদ উদ্দিন আহমেদের নামে কোনো নামজারি বা খারিজ খতিয়ান নেই বলে অফিস সূত্রের দাবি। ইউএনও রাকিবুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।