একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে বাংলাদেশে জাকাত সংগ্রহ ও বণ্টনব্যবস্থার সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে, বিশেষ করে অব্যবহৃত ‘ইবনিস-সাবিল’ ও ‘ফি-সাবিলিল্লাহ’ খাতকে বাস্তুচ্যুত, শরণার্থী ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সহায়তায় ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের গত আগস্টের জরিপ অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং অতিদারিদ্র্য ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশে উঠেছে। বার্ষিক জাকাতের সম্ভাব্য পরিমাণ ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি বলে বিভিন্ন গবেষণার হিসাব উল্লেখ করা হয়েছে।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারি জাকাত ফান্ডে জমা পড়ে মাত্র ১০ কোটি ২১ লাখ টাকা। কক্সবাজারে আশ্রিত ১২ লাখ রোহিঙ্গা এবং আইওএমের জাতীয় জরিপে প্রাকৃতিক দুর্যোগে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ৪৯ লাখ ৫৫ হাজার মানুষের প্রসঙ্গ তুলে ‘ইবনিস-সাবিল’ খাতের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ‘ফি-সাবিলিল্লাহ’ খাতের বিস্তৃত ব্যাখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ফকিহের মতভেদও আলোচিত হয়েছে।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে আটটি খাতভিত্তিক পৃথক বরাদ্দসহ বার্ষিক নিরীক্ষিত হিসাব প্রকাশ, স্বায়ত্তশাসিত জাকাত কর্তৃপক্ষ গঠন, বেসরকারি সংস্থার অভিন্ন নিবন্ধন ও প্রতিবেদনের মান নির্ধারণ, এবং এই দুই খাতে গ্রহণযোগ্য ব্যয়ের সীমিত ও যাচাইযোগ্য তালিকা প্রণয়ন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।