বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২টি ব্যাংকের পুঞ্জীভূত লোকসান দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা। জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ব্যাংক খাতে ৭৮৯ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা হলেও নিট লোকসান হয়েছে ৮ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-৩ তৈরি করা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।
লোকসানি ব্যাংকের মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, দুটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ১৫টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং একটি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে। উচ্চ খেলাপি ঋণ, প্রভিশন সংরক্ষণ ও মূলধন ঘাটতির কারণে আয় কমছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। জুন শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং মার্চের চেয়ে ১৭ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা বেশি।
২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২টি দুর্বল ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮৪ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়েছে। তবে আগস্ট শেষে এসএলআর সংরক্ষণের পর খাতে ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত তারল্য ছিল বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। মার্চ শেষে ১৫টি ব্যাংকের মূলধন ঋণাত্মক ছিল, আর ৪০টি ব্যাংক ন্যূনতম প্রয়োজনীয় মূলধন রাখতে সক্ষম হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।