বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আহরণ ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা বর্তমানে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। এই পরিকল্পনাটি প্রধানমন্ত্রী’র অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এডিপি বাস্তবায়নে ধীরগতি, বিনিয়োগ মন্দা, রপ্তানি হ্রাস এবং কর্মসংস্থান সংকটের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে উদ্ভূত অনিশ্চয়তার মধ্যেও এই লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইএমএফের ঋণচুক্তির শর্ত অনুযায়ী রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর চাপ থাকলেও এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, এটি দেশের নিজস্ব উন্নয়ন প্রয়োজনে জরুরি। রাজস্ব বাড়াতে করের আওতা বৃদ্ধি, ফাঁকি রোধ, বকেয়া আদায় এবং কমপ্লায়েন্স জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতি অর্থনীতিতে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে, যা রাজস্ব আহরণে বাধা সৃষ্টি করবে। এনবিআর করছাড় সংস্কার, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের বকেয়া আদায়ে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।