সংস্কার ইস্যুতে সমঝোতা না হওয়ায় বাংলাদেশ সরকার আগের আইএমএফ ঋণ কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে এবং সংশোধিত শর্তে প্রায় সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের নতুন ঋণ প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা করছে। বিশ্ব বিনিয়োগ সপ্তাহ উপলক্ষে গত রোববারের অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইএমএফের কঠিন শর্ত মেনে কোনো ঋণ নেওয়া হবে না।
২০২৩ সালে স্বাক্ষরিত ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ কর্মসূচি পরে ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাড়িয়ে সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। এর মধ্যে আইএমএফ ৩.৬৪ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে। রাজস্ব আদায়, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক খাত সংস্কারে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায় পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির প্রায় ১.৩০ বিলিয়ন ডলার স্থগিত করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিন্ন ১৫ শতাংশ ভ্যাট, করছাড় বাতিল এবং বিদ্যুৎ ও সারের সর্বজনীন ভর্তুকির বদলে লক্ষ্যভিত্তিক নগদ সহায়তার জন্য আইএমএফ চাপ দিচ্ছিল।
নতুন কাঠামোর ঋণের পরিমাণ, সময়সীমা ও শর্ত চূড়ান্ত করতে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ১৫ দিনের সফরে আইএমএফ প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভাতেও নতুন ঋণের বিষয়টি তোলা হবে। সরকারের লক্ষ্য ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ঋণচুক্তি চূড়ান্ত করা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।