ইসরাইলে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছেন, তবে তাঁর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি জোটের সঙ্গে বিরোধীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হাড্ডাহাড্ডি। ভোটের আগে জনমত জরিপে কোনো পক্ষের স্পষ্ট এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হামলার পর এটি ইসরাইলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন; এরপর গাজায় সামরিক অভিযান ও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘাত দেখা দেয়।
নিরাপত্তা, সরকারের জবাবদিহি, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি নীতি নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে। নেতানিয়াহুর লিকুদ-নেতৃত্বাধীন জোটে কট্টর ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী ও অতি-গোঁড়া ইহুদি দল রয়েছে। গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে আছেন। ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে চলমান দুর্নীতি মামলাও বিতর্কে রয়েছে; নেতানিয়াহু অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহু হারলে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমতে এবং নেতৃত্বের ধরন বদলাতে পারে, কিন্তু বড় নীতিগত পরিবর্তন অনিশ্চিত। অক্টোবর ২০২৩-এর হামলার পর ইসরাইলি সমাজ আরও ডানমুখী হয়েছে বলে তারা মনে করেন। বিরোধীরা মূলত সরকারের দক্ষতা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনা করলেও গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ে মৌলিক পরিবর্তনের অবস্থান জোরালোভাবে দেয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।