বাংলাদেশ সরকার কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পায় এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হয়। এটি বাংলাদেশের সব কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য হবে, এমনকি দেশের বাইরে অবস্থিত সরকার-অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
অধ্যাদেশে যৌন হয়রানির বিস্তৃত সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যেখানে শারীরিক, মৌখিক, অ-মৌখিক, ডিজিটাল ও অনলাইন আচরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ই-মেইল ও মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংঘটিত হয়রানিও এর আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিটি কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি (আইসিসি) গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত ও শাস্তির সুপারিশ করবে। অসংগঠিত খাতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় অভিযোগ কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন তদারকির জন্য জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তায় একটি বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।