আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে, বাংলাদেশকে নতুন ঋণ দেওয়ার বিষয়ে আগামী কয়েক মাস আলোচনা চলবে। সম্ভাব্য ঋণের আকার, কর্মসূচির পরিধি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্কার অঙ্গীকারই আলোচনার মূল বিষয় হবে। আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের কর্মকর্তা ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি মিশন গত ১২ জুলাই ঢাকায় আসে এবং পাঁচ দিনের সফর শেষে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানায়। সফরে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক পরিস্থিতি এবং সরকারের সংস্কার অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়।
আইএমএফের মতে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে এবং রাজস্ব ও ব্যাংকিং খাতের চাপ অব্যাহত থাকলে তা আরও কমতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি ও সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে মূল্যস্ফীতি ও ভর্তুকি ব্যয় বেড়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যদিও প্রবাসী আয় শক্তিশালী রয়েছে। আইএমএফ রাজস্ব আহরণ জোরদার, ভর্তুকি সংস্কার এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছে।
সংস্থাটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠনে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার এবং ২০২৫ সালের ক্রলিং পেগ বিনিময়হার ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।