ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বোমা উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ধারাবাহিক ঘটনা তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আল কুরা মাদরাসায় বিস্ফোরণের পর থেকে এ ধরনের ঘটনার ধারাবাহিকতা শুরু হয়। সর্বশেষ ডেমরার সানারপাড়া থেকে ককটেলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিভিন্ন অভিযানে রাসায়নিক পদার্থ, বারুদ, গান পাউডার, বৈদ্যুতিক তার, বিয়ারিং বল, নাইট্রিক অ্যাসিড ও প্লাস্টিকের কনটেইনারও জব্দ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারণা করছে, বিভিন্ন স্থানে বোমা উদ্ধারের ঘটনাগুলোর মধ্যে যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, দেশে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই এবং বড় ধরনের নাশকতার আশঙ্কাও নেই। ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম প্রধান মোহাম্মদ শামসুল হক জানান, ঢাকায় উদ্ধার হওয়া বোমাগুলো তদন্তাধীন এবং উগ্রবাদ নিয়ন্ত্রণে আছে। অপরাধ বিজ্ঞানী তৌহিদুল হক দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বা গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন।
পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট অতীতে উগ্রবাদ মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বর্তমান অবস্থান ও কর্মকাণ্ড অনলাইন-অফলাইনে যাচাই করছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থানা ও ব্যারাক থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে জোর দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এসএমজি, চায়না রাইফেল ও পিস্তলসহ ১,৩২০টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্র উগ্রবাদীদের হাতে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।