হিমবাহধসে নেপাল ও তিব্বতে সৃষ্ট দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৮৩ জন। শুক্রবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এ তথ্য জানায়। সংস্থার হিসাবে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৭টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। আগের পুলিশি হিসাবের তুলনায় মৃত ৭ জন এবং নিখোঁজ ২৮৫ জন বেড়েছে।
বন্যার নয় দিন পর ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি টানেল থেকে দুই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন যান্ত্রিক বিভাগের ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ এবং সুপারভাইজার কবির মহার্জন। আরএসপির আইনপ্রণেতা ও প্রকৌশলী শ্রী রাম নেউপানে জানান, শুক্রবার প্রথমে সঞ্জয় সাহকে এবং পরে কবির মহার্জনকে উদ্ধার করা হয়। তিনি ২৬ আগস্ট থেকে উদ্ধার অভিযানে যুক্ত আছেন।
টানেলের ভেতরে আরও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন বলে তথ্য পাওয়ার পর অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর শোনার পর উদ্ধারকারীরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং নেপালি সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী অভিযান জোরদার করে। এদিকে, দুটি প্রাকৃতিক হ্রদের ২ দশমিক ৮ কিলোমিটার ভাটিতে নতুন ভূমিধসে আরেকটি প্রাকৃতিক বাঁধ ও হ্রদ তৈরি হওয়ায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।