গত বুধবার ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ ও উপদেষ্টাদের অবাক করে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে অবিলম্বে চুক্তি সইয়ের দাবি তোলেন। যদিও দুই দিন পর সুইজারল্যান্ডের লুসার্নে জমকালো অনুষ্ঠানে চুক্তি স্বাক্ষরের কথা ছিল, ট্রাম্পের জোরাজুরিতে সেদিন রাতেই মাক্রোঁর সহায়তায় প্রাসাদের লোয়ার গ্যালারিতে চুক্তিটি সই হয়। পরে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় ইরান আলোচনায় থেকে সরে দাঁড়ায় এবং লুসার্নের অনুষ্ঠান বাতিল হয়।
চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির চেয়ারম্যান রজার উইকার বলেন, এতে থাকা ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল আগের ইরান চুক্তির চেয়ে অনেক বেশি। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানান, মার্কিন সামরিক প্রাধান্যের কারণেই ইরান আলোচনায় এসেছে এবং ৬০ দিনের আগে কোনো অর্থ পাবে না।
দীর্ঘ যুদ্ধ, তেলের মজুত হ্রাস এবং মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে উদ্বেগের কারণে ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে চেয়েছিলেন। তবে সিআইএ ও প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা ইরানের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন, আর অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতের উপদেষ্টারা যুদ্ধের ক্ষতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।