কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পদ্মা নদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করছে। রাতের অন্ধকারে চোরাকারবারিরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সীমান্ত পার হচ্ছে। এতে স্থানীয় খামারি ও ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলে দাবি করলেও, চোরাচালান অব্যাহত রয়েছে এবং মাঝে মাঝে কিছু চালান আটক করা হচ্ছে।
খামারিরা জানান, ঈদে বিক্রির আশায় ধারদেনা ও ব্যাংকঋণ নিয়ে গরু লালন-পালন করেছেন তারা। কিন্তু গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও ভারতীয় গরুর অবাধ প্রবেশে বাজারে দাম কমে গেছে। এতে অনেকেই লোকসানের মুখে পড়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, করোনার পর খামারিরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ভারতীয় গরুর কারণে তাদের স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে। তারা সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
স্থানীয় সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বিজিবি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, সীমান্ত দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু গরু এলেও সেগুলো জব্দ করা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।