Web Analytics

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মহাবিশ্বে এমন কিছু গ্রহ থাকতে পারে যেখানে প্রাণের টিকে থাকা ও বিকাশের পরিবেশ পৃথিবীর চেয়েও বেশি অনুকূল। এসব তাত্ত্বিক জগৎকে ‘সুপারহ্যাবিটেবল’ বা অতি-বাসযোগ্য গ্রহ বলা হচ্ছে। এগুলো পৃথিবীর চেয়ে সামান্য বড়, উষ্ণ জলবায়ু ও বৃহৎ জলাশয়সমৃদ্ধ হতে পারে এবং কোটি কোটি বছর স্থিতিশীল পরিবেশ ধরে রাখতে সক্ষম হতে পারে। তবে এখনো কোনো অতি-বাসযোগ্য গ্রহ নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়নি।

বিজ্ঞানীদের মতে, এ ধরনের গ্রহের ব্যাস পৃথিবীর চেয়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বড় এবং ভর প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শক্তিশালী অভিকর্ষ ঘন বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে, আর বড় লোহার কেন্দ্র শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে ক্ষতিকর মহাজাগতিক বিকিরণ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। অগভীর সমুদ্র ও ছোট দ্বীপের বিস্তৃত অঞ্চল বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র গঠনে সহায়ক হতে পারে। ছোট, শীতল ও কমলা রঙের কে-ডোয়ার্ফ নক্ষত্রও সম্ভাবনাময় বলে বিবেচিত হচ্ছে।

জার্মানির লাইবনিজ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকসের ইভা ভিলোভিচের পরীক্ষায় কৃত্রিম কে-ডোয়ার্ফ আলোতে গার্ডেন ক্রেস কৃত্রিম সূর্যালোকের তুলনায় দ্রুত ও বেশি বেড়েছে। ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণের কথা থাকা ইএসএর প্ল্যাটো মিশন কে-ডোয়ার্ফকে প্রদক্ষিণকারী পাথুরে গ্রহ শনাক্তে সহায়তা করবে। পরে সেসব গ্রহের বায়ুমণ্ডলে জৈবিক কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিতবাহী গ্যাস বিশ্লেষণ করতে হবে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।