সোমালিয়ার ২৭ বছর বয়সি নারী সাজিয়া মোলিম আলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার সমালোচনার অভিযোগে পাওয়া তিন বছরের সাজা বাতিল হওয়ার পর ১২ আগস্ট মুক্তি পান। বানাদির আঞ্চলিক আপিল আদালত তার দণ্ড ও সাজা বাতিল করে মুক্তির নির্দেশ দেয়। মোগাদিশুতে জোরপূর্বক উচ্ছেদ, জ্বালানির উচ্চমূল্য, সরকারি স্বজনপ্রীতি ও বেকারত্ব নিয়ে টিকটক ও ফেসবুকে কথা বলতেন তিনি।
আলী দাবি করেন, গ্রেপ্তারের দুই দিন আগে দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেন এবং থানায় তাকে মারধর করা হয়। শুরুতে তিনি আইনজীবীর সহায়তা বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগের তথ্য পাননি। পরে মোগাদিশু কেন্দ্রীয় কারাগারে তাকে শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কারাগারের নারী শাখার অতিরিক্ত ভিড়, আলো-জানালার অভাব ও দরজাবিহীন টয়লেটের কথাও তিনি জানান।
প্রায় এক মাস পর তিনি আইনজীবী পান। ২৫ জুন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অবমাননার অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়; অপরাধ সংঘটনে উসকানির অভিযোগে তিনি দোষী হননি। সাবেক প্রেসিডেন্ট শরিফ শেখ আহমেদ, কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা ও মানবাধিকার সংগঠন সাজার নিন্দা জানায়। মুক্তির পরও হুমকির কথা জানিয়ে তিনি সোমালিয়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং মানসিক সহায়তা নেওয়া, বন্দি নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ও বই লেখার কথা বলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।