২০২৬ সালের ২০ মার্চ শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে সামান্য পতন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকা এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার কারণে ব্যারেলপ্রতি দাম ১১৯ ডলার ছাড়ানোর পর কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০.৬% কমে ১০৮ ডলার এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই ১.১% কমে ৯৪.৬ ডলারে নেমেছে।
গোল্ডম্যান স্যাকস সতর্ক করেছে যে, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং ব্রেন্টের দাম দীর্ঘ সময় ১০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে। কাতারের রাস লাফান গ্যাস কেন্দ্রে হামলায় এলএনজি রপ্তানি ক্ষমতা ১৭% হ্রাস পেয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে পাঁচ বছর লাগতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাগরিকদের আশ্বস্ত করেছেন যে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তারা মার্কিন আহ্বানে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা সীমিত রাখছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত হওয়ার খবর সংঘাতের অবসান না হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।