Web Analytics

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় আড়াই লাখ টন বেশি সার আমদানি হলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংকট দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশীয় উৎপাদন কমার পাশাপাশি মূলত বিপণন ও বিতরণ ব্যবস্থার বিশৃঙ্খলাতেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন বা বিসিআইসি বলছে, ডিলারদের গুদামে পর্যাপ্ত মজুত আছে; তবু সার না পাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, দোকানে হামলা ও গুদামে লুটের ঘটনা ঘটছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন কাস্টমস দিয়ে ২৪ লাখ ৮৬ হাজার টন সার আসে। চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে প্রায় ২৭ লাখ ২৪ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। বিসিআইসির ভাষ্য, আমদানি ও উৎপাদনে ঘাটতি নেই এবং কৃষি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে সার বিতরণ করা হচ্ছে। অস্থির এলাকার অনুসন্ধানেও সারের ঘাটতি পাওয়া যায়নি বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

৩০ আগস্ট কৃষি মন্ত্রণালয় সমন্বিত সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা-২০২৬ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়। নতুন নীতিমালায় প্রতি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় তিনজন ডিলার রাখার বিধান রয়েছে। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বলছেন, নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়া, পুরোনো ডিলারদের অনিশ্চয়তা, এলাকাভিত্তিক চাহিদার ভুল হিসাব ও আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটা সরবরাহব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে। ১৬ অক্টোবর রবি মৌসুম শুরু হলে চাহিদা বাড়বে বলে কৃষি কর্মকর্তারা দ্রুত শৃঙ্খলা ফেরানোর তাগিদ দিয়েছেন।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।