রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত একাধিক কর্মকর্তা এখনো নিজ নিজ পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২৯ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময়েও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়া, পুনরায় যোগদান গ্রহণ এবং দায়িত্ব অব্যাহত রাখার অভিযোগ ওঠে। মামলার বাদী, জুলাইযোদ্ধা ও শিক্ষার্থীদের একাংশ প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে অভিযুক্তরা দায়িত্বে আছেন বলে দাবি করেছেন।
জুলাইযোদ্ধা আমানুল্লাহ আমানের মামলার এজাহারে থাকা চার কর্মকর্তা রুয়েটে কর্মরত রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তারা রাইসুল ইসলাম রোজ, রফিকুল ইসলাম বিপু, মুফতি মাহমুদ রনি ও মাহাবুব সালাম সেতু। পৃথক হামলা মামলার এজাহারভুক্ত মাহমুদুর রহমান দিপনও একটি হলে কর্মরত বলে জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা শাখার দায়িত্বে থাকা মামুন-অর-রশিদও হামলার অভিযোগে মামলার আসামি; তাকে ২০২৫ সালের ৪ মে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল।
রেজিস্ট্রার আরিফ আহমেদ চৌধুরী বলেন, অভিযুক্তদের বিষয়ে তাঁর কাছে আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ মিললে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপাচার্য এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক জানান, কয়েকজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং অন্যদের বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে। আমানুল্লাহ আমান তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এজাহারভুক্ত কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত রাখার দাবি জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।