নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে বিধ্বংসী বন্যার পর আবারও ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ঝুঁকির সতর্কতা দিয়েছে আন্তর্জাতিক সমন্বিত পার্বত্য উন্নয়ন কেন্দ্র (আইসিআইএমওডি)। বুধবার সকালে উজান থেকে প্রায় ১০০ মিটার উঁচু পানির স্রোত তিমুরে বাজার এলাকা ভাসিয়ে দেয়। কাস্টমস পয়েন্টে অপেক্ষমাণ তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন পানিতে তলিয়ে যায়।
শুরুতে এই আকস্মিক বন্যার পেছনে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাকে দায়ী করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, হিমবাহ ধস ও ভূমিধস থেকে সৃষ্ট তীব্র ধ্বংসাবশেষ প্রবাহের কারণেই দুর্যোগের সূত্রপাত। নেপাল ও তিব্বতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর আইসিআইএমওডি পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের সঙ্গে আসা বিপুল পলি ও ধ্বংসাবশেষ নতুন বিপদের কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা ত্রিশূলী নদীর সরু অংশে পলি ও ধ্বংসাবশেষ জমে স্বাভাবিক প্রবাহ পুরোপুরি আটকে গেছে কি না, তা পরীক্ষা করছেন। এমন হলে মাটি-পাথরের অস্থায়ী ভূমিধসজনিত বাঁধ তৈরি হতে পারে। এটি ভেঙে গেলে জমে থাকা পানি ও পলি দ্রুত নিম্নাঞ্চলে নেমে আরও একটি বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যা ঘটাতে পারে। কর্তৃপক্ষ ও বিজ্ঞানীরা সম্ভাব্য বাঁধগুলোর অবস্থান, আকার ও স্থায়িত্ব যাচাই করছেন এবং নদীতীর ও নিম্নাঞ্চল পর্যবেক্ষণ করছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।