Web Analytics

তীব্র জ্বালানি সংকট, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার ও অভ্যন্তরীণ বাজারে মন্দার কারণে বাংলাদেশের শিল্পখাত গভীর সংকটে পড়েছে। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এবং প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের অভাবে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা হারাচ্ছে দেশীয় পণ্য। অনেক কারখানা অর্ধেকেরও কম সক্ষমতায় চলছে, নতুন বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, কর্মসংস্থান সংকোচন ও শিল্পায়নের স্থবিরতা সামগ্রিক অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদি মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

বিভিন্ন খাতে উৎপাদন কমে গেছে—টেক্সটাইল, পাট, সিমেন্ট ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। উচ্চসুদের কারণে বিনিয়োগ কমে গেছে, যদিও ব্যাংক খাতে তারল্য বেড়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে পোশাক খাতের উৎপাদন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যা রপ্তানি আয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছে। চামড়াশিল্পও পরিবেশগত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়ে প্রতিযোগিতা হারাচ্ছে।

২০২৬ সালের মে মাসে রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ০৭ শতাংশ কমেছে। প্রধান বাজারগুলোতে অর্ডার হারিয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করা, সুদহার কমানো ও বিনিয়োগ আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন জরুরি।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।