জুলাই আন্দোলনের কর্মী আশরাফুল (৩২) দীর্ঘ দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে ২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা ৩ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিতে গিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সহযোদ্ধা, ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। পরে মরদেহ কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে দাফনের জন্য নেওয়া হয়।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আশরাফুলকে প্রথমে দেশে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়, যেখানে তিনি ১৪ মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। ৪ ফেব্রুয়ারি দেশে ফেরার পর তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় এবং সেখানেই তিনি মারা যান। বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পরিবারের প্রতি শোক ও সহমর্মিতা জানানো হয় এবং ভবিষ্যতেও পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। দলীয় নেতারা আহত আন্দোলনকারীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।