কুড়িগ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। নামসর্বস্ব পত্রিকা, অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল এবং ফেসবুক পেজের পরিচয় ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি বিদ্যালয়ে ঢুকে অনুমতি ছাড়া ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে শিক্ষকরা জানান, এ ধরনের আকস্মিক উপস্থিতিতে পাঠদানের পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং অপরিচিতদের দেখে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হচ্ছে।
শিক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্লাস চলাকালে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে লোকজন নথি দেখতে চান, অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করেন এবং পরে মোটরসাইকেলের তেল বা দুপুরের খাবারের নামে টাকা দাবি করেন। বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আশঙ্কায় অনেকে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা দেন। চিলমারীর সোনারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজিনা সুলতানা এমন দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে টাকা দাবির অভিযোগ করেছেন।
শিক্ষক সমিতির নেতা রওশন আরা বেগম বলেন, টাকা না দিলে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয়। সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যসচিব মানোয়ার হোসেন লিটন জানান, এতে প্রকৃত সাংবাদিকদের সুনামও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, কয়েকজন ভুয়া সাংবাদিককে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।