একটি বাংলাদেশি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে যাওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পলাতক অবস্থায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশ ভারতের কাছে অনুরোধও জানিয়েছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকেরা আইনি, রাজনৈতিক ও ভ্রমণ-সংক্রান্ত বাধার কারণে তার ফেরার সম্ভাবনাকে খুবই কম বলে মনে করছেন।
প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, হাসিনার ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অনলাইনে প্রচার চালাচ্ছেন এবং ঝটিকা মিছিলের আয়োজন করছেন। এতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টারও অভিযোগ করা হয়। চলমান পোশাকশিল্পের সহিংস আন্দোলনে নিষিদ্ধ দলটির সমর্থকদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছে সরকার; প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রকৃত শ্রমিক বা ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের বদলে মুখোশধারী সুযোগসন্ধানী ও ফ্যাসিস্ট-সমর্থকেরা সহিংসতা ছড়াচ্ছেন।
হাসিনা বলেন, তার পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র বন্ধ থাকায় টিকিট করা যাচ্ছে না, তবে দেশে যাওয়ার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছেন। সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, তিনি ফিরলে আইন অনুযায়ী হেফাজতে নেওয়া হবে এবং বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা এ ঘোষণাকে দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় ও সংগঠিত রাখার কৌশল হিসেবেও দেখছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।