বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে ২০২২’-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন বা ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৫ সালের জরিপে দেখা গেছে, উচ্চ রক্তচাপ এখন দেশের শীর্ষ রোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, আক্রান্তদের অর্ধেকেরও বেশি জানে না যে তারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে এবং মাত্র ১৬ শতাংশ নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী প্রায় ১৪০ কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত, যার বেশিরভাগই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে বাস করে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ৪ দশমিক ২ শতাংশ অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যয় হওয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। সরকার ইতোমধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকের ওষুধ তালিকায় অ্যামলোডিপিন যুক্ত করা এবং এনসিডি কর্নার সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা মনে করেন, ওষুধ সরবরাহের ধারাবাহিকতা ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগজনিত অকাল মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে কমানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।