একটি মন্তব্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সরকারি লক্ষ্য অর্জন অত্যন্ত কঠিন। লেখকের মতে, বর্তমানে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের সামান্য বেশি জিডিপিকে লক্ষ্যে নিতে হলে আগের দশকের তুলনায় অনেক দ্রুত হারে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দরকার হবে এবং প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে ১০ শতাংশের বেশি রাখতে হবে। চলতি অর্থবছরে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবি যথাক্রমে ৩ দশমিক ২, ৩ দশমিক ৪ ও ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
লেখক শেখ হাসিনা সরকারের আমলে অপচয়মূলক প্রকল্প, রিজার্ভ কমে যাওয়া এবং ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের অভিযোগে অর্থনীতির ক্ষতির কথা বলেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আর্থিক খাতে কিছু শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন থেকে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলারে ওঠে। শিল্প বিনিয়োগের দুর্বলতা এবং তিন মাসে যন্ত্রপাতি আমদানি এক-তৃতীয়াংশ কমার কথাও বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং আমলাদের বেতন-ভাতা বাড়ায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বেড়েছে। প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে দলীয় প্রভাবমুক্তভাবে ফ্যামিলি কার্ডের সহায়তা পৌঁছানো, অপচয়মূলক উচ্চাভিলাষী প্রকল্প বন্ধ করা এবং অন্তত এক বছর দারিদ্র্য বিমোচন ও সুশাসনে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।