ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে তার নিজ দল লেবার পার্টির ভেতর থেকেই পদত্যাগের দাবি জোরদার হয়েছে। একের পর এক কেলেঙ্কারি, নীতি পরিবর্তন ও সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রায় ৯০ জন এমপি তার পদত্যাগ বা বিদায়ের সময়সীমা নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে স্টারমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি পদত্যাগ করবেন না এবং দেশ পরিচালনা অব্যাহত রাখবেন। ইংল্যান্ডের স্থানীয় নির্বাচনে লেবারের বিপর্যয়ের জন্য রিফর্ম ইউকে ও গ্রিন পার্টির উত্থানকেও দায়ী করা হচ্ছে।
স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ আগে থেকেই বাড়ছিল, বিশেষ করে লর্ড ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের বিতর্কের পর। ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে পূর্বে অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও তাকে নিয়োগ দেওয়ায় দলের ভেতরে স্টারমারের বিচারক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এমপি ক্যাথরিন ওয়েস্ট নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জের ঘোষণা দিলেও পরে তা থেকে সরে আসেন।
সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে রয়েছেন কর ফাঁকি অভিযোগ থেকে মুক্ত অ্যাঞ্জেলা রেনার, ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম এবং সাবেক স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং, যিনি সম্প্রতি স্টারমারের নেতৃত্বে আস্থা হারিয়ে পদত্যাগ করেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।